আদি নব্য বিজেপি দ্বন্দ্বে রণক্ষেত্র বর্ধমান - The News Lion

আদি নব্য বিজেপি দ্বন্দ্বে রণক্ষেত্র বর্ধমান




দি নিউজ লায়ন ;  আদি বনাম নব্য বিজেপি সংঘর্ষ  কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নিল পূর্ব এবং পশ্চিম বর্ধমান।  তৃণমূল থেকে আসা নেতাকর্মীদের পদ দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। অথচ দলে দাম পাচ্ছেন না পুরনো কর্মীরা। আর এই অভিযোগে ধুন্ধুমার কাণ্ড বর্ধমান শহর এবং আসানসোলে। বৃহস্পতিবার প্রায় একই সময়ে বর্ধমান শহর এবং আসানসোলে বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কার্যত চরমে ওঠে। বর্ধমানে জেলা সভাপতি সন্দীপ নন্দীর পদত্যাগের দাবী জানিয়ে বিক্ষোভ দেখানো নিয়ে গণ্ডগোলের সূত্রপাত। 


সন্দীপ অনুগামীদের সঙ্গে বিক্ষুব্ধ বিজেপি নেতা কর্মীদের ব্যাপক গন্ডগোল শুরু হয়ে যায় দু পক্ষই একে অপরকে লক্ষ্য করে ইট বৃষ্টি শুরু করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় বিজেপির একাধিক পার্টি অফিসে হামলা হয় পার্টি অফিসের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা একাধিক গাড়িতেও আগুন ধরিয়ে দেন বিজেপি কর্মীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেই বর্ধমানে এসেছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা।


 তিনি যে পার্টি অফিস উদ্বোধন করে গিয়েছিলেন সেই পার্টি অফিসে যেদিন মন চায় বিজেপি কর্মীরা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় চেয়ার টেবিল। গোটা ঘটনায় ব্যাপক অস্বস্তিতে জেলা বিজেপি নেতৃত্ব যদিও প্রকাশ্যে তারা তৃণমূলের ঘাড়ে চাপাচ্ছে মুখ বাঁচাতে তাদের অভিযোগ তৃণমূলী নাকি বিজেপির পতাকা নিয়ে হামলা চালিয়েছে যদিও অন্য কথা বলছেন বিজেপির নেতা কর্মীরা তাদের অভিযোগ তৃণমূল ছেড়ে যারা স্বার্থসিদ্ধি করতে এসেছে তাদের সমস্ত রকম পদ দেয়া হচ্ছে যারা দীর্ঘদিন ধরে বিজেপি করছেন তাদের পিছনের সারিতে ফেলে দেয়া হচ্ছে এর প্রতিবাদ জানাতে গেলে হুমকি দেয়া হচ্ছে ভয় দেখানো হচ্ছে এর জেরেই গন্ডগোল হয়েছে।


 অন্যদিকে, পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলে বিজেপির সর্বভারতীয় সম্পাদক অরবিন্দ মেনন এবং আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়র সামনেই বিজেপির দুইপক্ষ বাদানুবাদ, হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ল। ঘটনায় ক্ষুব্ধ অরবিন্দ মেনন কারোর সঙ্গে কথা না বলেই গাড়িতে চেপে রওনা দিলেন কলকাতার উদ্দেশ্যে। বৃহস্পতিবার  দলীয় কার্যালয়ে কুলটি এবং বারাবনি ব্লকের নেতৃত্ব এবং কর্মীদের নিয়ে সম্মেলনের আয়োজন করেছিল বিজেপি। এই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি অরবিন্দ মেনন, সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় সহ অন্যান্য দলীয় নেতারা।


 শেষ পর্যন্ত প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষ সম্মেলনকক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে চলে যায়। সভা কার্যত পন্ড হয়ে যায়। যদিও বাইরে বেরিয়ে এসে বাবুল সুপ্রিয় জানান সভা ভালোভাবেই হয়েছে। নিজেদের পরিবারের লোকেরা কথা বললে, দাবি জানালে একটু চিৎকার চেঁচামেচি হয়। এমন কিছু হয়নি।"সর্বভারতীয় সম্পাদক অরবিন্দ মেননকে প্রশ্ন করতে গেলে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে কারো প্রশ্নের জবাব না দিয়ে গাড়িতে চেপে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.